সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

জুমগাঁওয়ের পানি সংকট সমাধান জরুরি

  • আপলোড সময় : ২৭-০৯-২০২৫ ০৮:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৯-২০২৫ ০৮:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন
জুমগাঁওয়ের পানি সংকট সমাধান জরুরি
পানি ছাড়া জীবন কল্পনা করা যায় না। অথচ দোয়ারাবাজার উপজেলার জুমগাঁও পাহাড়ের খ্রিস্টানপাড়ায় বসবাসরত গারো সম্প্রদায়ের প্রায় ৭০টি পরিবার বছরের পর বছর সুপেয় পানির তীব্র সংকটে মানবেতর জীবন যাপন করছে। খাবার পানি সংগ্রহের জন্য তাদেরকে প্রতিদিন পাহাড়ি দুর্গম পথ বেয়ে এক কিলোমিটার দূরের ঝর্ণা বা ছড়ার উপর নির্ভর করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে এই দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। অতীতে তিনটি রিংওয়েল স্থাপন করা হলেও পাহাড়ে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর না থাকায় সেগুলো অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ফলে সমস্যা থেকে যাচ্ছে অনিরসনযোগ্য অবস্থায়। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা যখন দেশের প্রত্যন্ত গ্রামে পৌঁছে যাচ্ছে, তখন জুমগাঁওবাসীর এই চরম সংকট সত্যিই দুঃখজনক। মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে পানির নিশ্চয়তা প্রদানে রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বেদনা মর্ম¯পর্শী। “আমরা সংখ্যালঘু আদিবাসীদের কষ্টের কথা কে শুনবে?” - এমন প্রশ্ন শুধু এক গ্রামের নয়, বরং প্রান্তিক মানুষের সামগ্রিক বঞ্চনার প্রতিধ্বনি। উন্নয়ন ও মানবিক ন্যায়বিচারের মানদ-ে এই চিত্র অগ্রহণযোগ্য। এখন সময় এসেছে কথার ফুলঝুরি নয়, কার্যকর সমাধানের। উপজেলা প্রশাসন বিকল্প উদ্যোগ হিসেবে সমতলে গভীর নলকূপ স্থাপন করে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে, যা কার্যকর বাস্তবায়ন করা জরুরি। পাশাপাশি পাহাড়ি অঞ্চলের প্রাকৃতিক উৎসগুলো সংরক্ষণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ছোট আকারের রিজার্ভার নির্মাণও বিবেচনায় আনা যেতে পারে। স্মরণ রাখতে হবে, পানি সংকট শুধু গারো সম্প্রদায়ের সমস্যা নয় -এটি মানবাধিকারের প্রশ্ন। রাষ্ট্রের দায়িত্বই হলো সংখ্যালঘু, প্রান্তিক কিংবা দুর্গম অঞ্চলের প্রতিটি নাগরিককে নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা দেওয়া। তাই অবিলম্বে পরিকল্পিত ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে, জুমগাঁওয়ের মানুষের দুর্দশা আরও দীর্ঘায়িত হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স